ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ–৩ আসন থেকে বিএনপি’র প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আফরোজা খানম রিতা। এরপরই দায়িত্ব পান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে। পুরো জেলায় যেন উৎসবের হাওয়া। স্থানীয় মানুষের মুখে আনন্দ, প্রত্যাশা আর স্বপ্ন। সব মিলিয়ে মানিকগঞ্জ এখন এক অন্য রঙে রঙিন।
মন্ত্রী হওয়ার খবরে বুধবার বিকেল থেকে সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী ইউনিয়নের গ্রামেগঞ্জে শুরু হয় অভিনন্দনের ঢল। পাড় তিল্লী এলাকা থেকে ভ্যানে করে ৪০ কেজি মিষ্টি বিতরণের মাধ্যমে আনন্দ ভাগ করে নেন দুই ছাত্রদল নেতা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ–সাধারণ সম্পাদক মো. সুজন মিয়া ও সহ–দপ্তর সম্পাদক শাহিনুর হোসেন (শাহীন)। গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁরা মিষ্টি পৌঁছে দেন এবং মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নেন উদযাপনের মুহূর্তগুলো।

শাহিনুর হোসেন বলেন, ‘মানিকগঞ্জের ইতিহাসে এটি আনন্দের দিন। আমাদের প্রিয় নেত্রী আফরোজা খানম রিতা আপা প্রথমবারেই মন্ত্রী হয়েছেন। এটা মানুষের আস্থারই প্রতিফলন। তাঁর নেতৃত্বে উন্নয়নের গতি আরও বাড়বে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’
মো. সুজন মিয়া বলেন, ‘রিতা আপা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী হওয়ায় আমরা গর্বিত। আমাদের এই আনন্দ গ্রামের সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে মিষ্টি বিতরণ করেছি।’
স্থানীয়রা মনে করছেন, একজন জনপ্রতিনিধি মন্ত্রীত্ব পাওয়ায় এলাকার উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান সবক্ষেত্রেই নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। তিল্লি ইউনিয়নসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে দিনভর ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।

মিষ্টি বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন- তিল্লী ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রব, যুবদলের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মো. শ্যামল, ইউনিয়ন যুবদলের তারিকুল ইসলাম, মো. মাদার ও জেলা ছাত্রদলের মো. ওয়াসিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন ও প্রতিনিধিত্ব নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা ছিল প্রবল। সেই প্রত্যাশার জায়গা থেকেই রিতার মন্ত্রী হওয়া সাধারণ মানুষের কাছে নতুন সম্ভাবনার জানালা খুলে দিয়েছে। তাঁদের ভাষায়, এই আনন্দ শুধু আজকের না, ভবিষ্যতের আশা।


