সাভারে চাঁদা উত্তোলনের অভিযোগকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলল মসজিদ কমিটি

গণমাধ্যমে প্রকাশিত ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। সংগৃহীত অর্থ ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের প্রাথমিক ও কারিগরি কার্যক্রমে বিভিন্ন খাতে ব্যয় করা হয়েছে।

সাভারের জামসিং জয়পাড়া এলাকায় রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পকে ঘিরে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘ঘুষের নামে লাখ লাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন ও আত্মসাৎ’ সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে স্থানীয় বায়তুল মামুর কেরামতিয়া জামে মসজিদ কমিটি ও মহল্লাবাসী। তারা প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে কমিটির পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত বছর এলাকায় রাস্তা সংস্কারের কাজ অনুমোদন পেলেও সেখানে পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেনের ব্যবস্থা ছিল না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে পড়েন। এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারা তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সরকারি বরাদ্দ না থাকায় নিজেদের উদ্যোগে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করার পরামর্শ দেন।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ড্রেন নির্মাণের সুবিধাভোগী স্থানীয় বাড়িওয়ালারা স্বেচ্ছায় ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকার একটি তহবিল গঠন করেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। সংগৃহীত অর্থ ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের প্রাথমিক ও কারিগরি কার্যক্রমে বিভিন্ন খাতে ব্যয় করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, এলাকাবাসীর উদ্যোগ, তদবির ও নিয়মতান্ত্রিক আবেদনের ফলে ড্রেনটি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এসেছে এবং বর্তমানে নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক এই উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং কমিটিকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বক্তারা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা বলেন, যে কেউ চাইলে সরেজমিনে গিয়ে চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করতে পারবেন। এ সময় মসজিদ কমিটি ও স্থানীয় মহল্লাবাসীর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!