শিবালয়ে রাস্তা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, একই পরিবারের ৭ জন আহত

হামলার সময় কয়েকজনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ একই পরিবারের ৭জন আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত সোমবার শিবালয় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মো. রুবেল হোসেন।

অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে- শিবালয় উপজেলার গাংধাইর এলাকার মৃত তফেজ উদ্দিনের ছেলে মো. ইমারত হোসেন ও জাহিদুল ইসলাম এলাহি, একই পরিবারের আজিজুল, আকলিমা বেগম ও ছাকেলা বেগম।

লিখিত অভিযোগে রুবেল হোসেন জানান, উপজেলার গাংধাইর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে গত ২৩ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, ভুক্তভোগীরা ধান আনার সময় হামলাকারীরা বাধা দেয় এবং একপর্যায়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, দা, লোহার রড ও ইট দিয়ে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনিসহ রুবেলের বাবা আছর উদ্দিন, চাচা সহিদুল ইসলাম, নারী সদস্য চাচী হালিমা বেগম, মা হাসিয়া বেগম, দাদী আছিয়া বেগম ও চাচাতো ভাই ইমরান হোসেন মারাত্মক আহত হন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় কয়েকজনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন যাবত বাড়ি থেকে বের হওয়ার একমাত্র রাস্ত তারই চাচাতো চাচারা বন্ধ করে দেয়। এতে ভুক্তভোগীরা স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছিলেন, তাতে কোন সুফল আসেনি। ভুক্তভোগীরা তাদের বাড়ির উপর দিয়ে ধান নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সন্ধ্যা ৭টার দিকে হামলাকারীরা তাদের মেরে ফেলার জন্য পরিবারের ৭জনকে কুপিয়ে আহত করে এবং বর্তমানে আবারো বিভিন্নভাবে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে তারা নিরাপত্তাহীনতায় প্রশাসনসহ সকলস্তরে সহযোগিতা চেয়েছেন।

এ বিষয়ে শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিভাগের আরও সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!