মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে ৫০৬ জনে পাশ ৭৮, পাসের হার ১৫.৪২ শতাংশ
পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৫০৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছেন মাত্র ৭৮ জন। পাসের হার ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ। অকৃতকার্য হয়েছেন ৪২৮ জন। কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাননি।

মানিকগঞ্জের সাত উপজেলার মধ্যে পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে দৌলতপুর উপজেলা। এ উপজেলার পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৫০৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছেন মাত্র ৭৮ জন। পাসের হার ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ। অকৃতকার্য হয়েছেন ৪২৮ জন। কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাননি।
উপজেলাভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, দৌলতপুরের পর সবচেয়ে কম পাসের হার শিবালয় উপজেলায়। সেখানকার চারটি কলেজ থেকে ১ হাজার ৪৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২৯৪ জন। পাসের হার ১৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। অকৃতকার্য হয়েছেন ১ হাজার ১৮৪ জন। তবে এ উপজেলায় পাঁচজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
অন্যদিকে, হরিরামপুরে পাসের হার ৩২ দশমিক ২৩ শতাংশ। এ উপজেলার তিনটি কলেজ থেকে ৮১৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২৬৪ জন। সাটুরিয়ায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২৮২ জন। সেখানে পাসের হার ৩৩ দশমিক ৮১ শতাংশ।
সিংগাইরে পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৪০১ জন। পাসের হার ৪১ দশমিক ৪৭ শতাংশ। মানিকগঞ্জ সদরে ১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ হাজার ৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২ হাজার ২৫৮ জন। পাসের হার ৪৪ দশমিক ৪০ শতাংশ।
সাত উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে ঘিওর উপজেলা। সেখানকার পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৭০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৩৮৮ জন। পাসের হার ৫৫ দশমিক ১১ শতাংশ। এ উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন চারজন।
সামগ্রিকভাবে মানিকগঞ্জের ৪২টি কলেজ ও মাদ্রাসা থেকে ১০ হাজার ৩৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৩ হাজার ৯৬৫ জন। পাসের হার ৩৮ দশমিক ১৪ শতাংশ। অকৃতকার্য হয়েছেন ৬ হাজার ৪২৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৯ জন।
ফলাফলে দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাসের হার জেলার সামগ্রিক গড়ের চেয়েও অনেক কম। বিশেষ করে দৌলতপুরে পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে নেমে আসায় উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান ও ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।





